Thursday, 28 January 2010

Kazer Meye Rubi

মামারা, আজ আমি তোমাদের আমার জীবনের একটি সত্য গল্প শোনাবো।
আমি তখন ঢাকায় থাকি,একটি আই এস পি তে সিসটেম এন্জিনিয়ার হিসাবে আছি। গ্রামের বাড়ি বগুড়াতে।
প্রতি দুই তিন মাসে একবার গ্রামে যাই। তো ঘটনাটা যেবার ঘটে, সেটা ছিলো ঈদ এর সময়। আমার দাদার
বাড়িতে ঈদ করতে সবাই আসতো, আমরা, আমার ফুফু এবং চাচারা, সবাই।

সেবার ঈদ ছিলো গরমের মাঝামাঝি।সবাই গ্রামের বাড়িতে এসেছে। অন্য সবার সাথে এসেছে বড় ফুফু। এই বড়
ফুফু থাকে বগুড়া শহরে। ফুফু, ফুফা, আর ফুফুদের কাজের মেয়েটা। এই মেয়েটাই এই গল্পের নায়িকা। নাম
রুবি আর মামারা, কেউ হাসবা না। মেয়েটা মাত্র 14 বছরের। পিচ্চি মেয়ে। দুধ ও ভালোমতো ওঠেনি।
কিন্তু আজ পর্য্যন্ত এ রকম গরম মেয়ে আমি পাই নি।
ঘটনার শুরু যেদিন, সেদিন হুট করেই সব্ধা বেলায় প্রচন্ড ঝড় শুরু হলো। আমি একা বাড়ির
বাইরে আসলাম সিগারেট টানতে। বাইরের বারান্দার সামনেই আম বাগান। দেখি সেই বাগানে রুবি একা
দৌড়াদৌড়ি করছে আর আম কুড়াচ্ছে। কয়েকটা আম ফ্রকের কোচায় নিয়ে ডৌড়ে এসে বারান্দায় এসে দাড়ালো।
আমাকে দেখে হেসে বললো "ভাইয়া আম খাবেন নাকি?" আমি হেসে বল্লাম "দে একটা" । রুবি জোখোন আম দিতে
কাছে এলো, বিজলির চমকে দেখতে পেলাম তার সদ্য গজানো দুধ দুইটার বুটি সম্ভবত বৃষ্টিতে ভিজে
ঠান্ডায় শক্ত হয়ে ফ্রক এর উপর পরিস্কার দেখা যাচ্ছে। আমি স্রেফ ইয়ার্কি করেই বললাম , "রুবি, তুই
আরেকটু বড় হলেই হত." রুবি বললো "কি হতো?" আমি বললাম "তুই যদি আরেকটু বড় হতি তাহলে এই বারান্দায়
এখন কেউ নাই দেখে তোর সাথে একটু সময় কাটানো যেতো।" রুবি আস_তে করে বললো " আপনি যানেন না, মেয়েরা
তারাতারি বড় হয়ে যায়।" আমি একটু অবাকই হলাম। একেবারে পিচ্চি মেয়ে, সে আবার বলে কি! আমি বললাম
"আচ্ছা! তাহোলে দেখি তো তুই কতো বড় হয়েছিস। কাছে আয় তো !" রুবি এবার দ্বিধান্বিত ভাবে ধীরে ধীরে
আমার কাছে এলো। আমি আস্তে করে রুবির দুধে হাত দিলাম। আস্তে আস্তে টিপতে লাগলাম। আবার বিজলি
চমকাতেই দেখলাম রুবি মুচকি মুচকি হাসছে। আমি একটু চিন্তায় পরে গেলাম। এি টুকুন মেয়ে, দুধ টিপতে
উত্তেজিত হয়ে পড়েছে। একে চুদবো কি করে? সোব তো ফেটে ফুটে একাকার হয়ে যাবে।

ইতি মধ্ধে দেখি রুবি এক হাত দিয়ে আমার ধোন চেপে ধরেছে। আমার তো তখন ধোন খাড়া হয়ে সাত্ ইন্চি হয়ে
গেছে (বাড়িয়ে বলবো না, আমার ধোন এর সাইজ এইটাই)। রুবি অবাক স্বরে বললো "আপনার এটা এতো বড়ো !"
আমি বললাম , " কেনো রে? আরো দেখেছিস নাকি?" রুবি একটু লজ্জার ভাব দেখিয়ে বললো "আমাদের বসার
নীচতলায় একটা ছেলে থাকে , স্কুলে পড়ে, ছেলেটা প্রায়ই ছাদের উপর আমার সাথে কাম করে। ছেলেটার এই
জিনিস আপনের অর্ধেক আর চিকন।" আমি অবাক এ হয়ে গেলাম। এইটুক মেয়ে, ছাদে চোদায়! রুবি দেখি আস্তে
আস্তে আমার ধোনটা ওর হাফ প্যান্টের উপর দিয়ে গুদের উপর ঘষছে। পুরা ব্যাপারটা আমার কাছে
অবিস্বাষ্য লাগতে লাগলো। আমি, 26 বছরের যুবক, এখন পর্যন্ত কোন মেয়েকে চুদতে পারিনি। খালি নেট
দেখে হাত মারি, আর এই পিচ্চি যার কিনা বাল ই মনে হয় ঠিক মতো ওঠেনি, সে কিনা প্রায় প্রতিদিন
চোদায় আর এখন এই অসম বয়সী মেয়েটা আমার ধোন নিয়ে নিজের গুদে ফ্রক তুলে প্যান্টের উপর দিয়ে ঘষছে।
আমি বেশ আগ্রহ নিয়ে রুবির দুধ এক হাত দিয়ে টিপতে টিপতে আরেক হাত ওর হাফ প্যন্টের ভিতর চালিয়ে
দিলাম। টের পেলাম ছোট ছোট চুল। নরম , একেবারে আনকোরা বাল। হাত আরেকটু নিচে নিয়ে গেলাম । অবাক
হয়ে দেখলাম গুদ পুরাপুরি ভিজে গেছে। আমার মাথা আর ঠিক থাকলো না। টান দিয়ে ফ্রক এর ফিতা খুলে
প্যন্ট নামিয়ে দিলাম। ডগি ষ্টাইল এ উপোর করে আমার লুংগি তুলে ধোনাটা গুদের মুখে সেট কোরে চাপ
দিতে লাগলাম। কিন্তু কোনভাবেই ধোনটা ভিতরে গেলো না। খালি পিছলে যেতে লাগলো।